জঙ্গলমহলে মমতার বিশ্বস্ত প্রশাসনিক কারিগর বিবেক ভার্মা!!!




Indiapost24 Web Desk :বাম আমলের অশান্ত উত্তপ্ত সরকার বিরোধী পাহাড়-জঙ্গলমহলকে শান্ত করে মানুষের মন জয় করে এই দীর্ঘ 10 বছর ধরে মমতা সরকারের পথ চলা।মমতার এই চলার পথে পাথেয় তার রাজনৈতিক বুদ্ধি পারদর্শিতা,আপামর মানুষজনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে মেশা,সহমর্মিতা ও তার পুলিশ প্রশাসন স্তরের বিশ্বস্ত সৈনিকদের একান্ত সহযোগিতা..

আর মমতা সরকারের এই প্রশাসনিক সৈনিকদের মধ্যে জঙ্গলমহলের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণে ও  আয়ত্তে আনার জন্য যে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকদের নাম ও ভূমিকা সর্বদাই আলোচনার শীর্ষে থাকবে তাদের মধ্যেই একজন জঙ্গলমহলের নবরূপের কারিগর এসডিপিও বিবেক ভার্মা যিনি অতীতে ঝাড়গ্রাম আর বর্তমানে বাঁকুড়া খাতড়া  মহাকুমার এসডিপিও.. যদিও তাকে খুব বেশি গণমাধ্যমের সামনে দেখা যায়ণা তবুও কোথাও যেন তার কাজগুলি নীরব সাক্ষী হয়ে বারংবার চর্চা হতে দেখা  যায় তারই অধীনস্থ বিভিন্ন থানার প্রশাসনিক অঞ্চলগুলি সহ রাজ্যের অতি উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের মুখে আবার এমন কি কিছু সংখ্যক বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের মুখেও । কারণ সমস্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব কর্তব্য ও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সর্বদা তাকে দেখা গিয়েছে এইসব আদিবাসী সংলগ্ন জায়গাগুলিতে আদিবাসী মানুষদের সঙ্গে মিশিয়ে একাত্ম হয়ে তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে একদা মাওবাদী তকমা লাগানো এই পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মানুষজনের কাছে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন সম্পর্কে তাদের ধারণা পাল্টে ও মমতা সরকারের সমস্ত জনহিতকর প্রকল্পগুলিকে বুঝিয়ে ও সরকার মুখি করে তোলার নিরলস প্রচেষ্টা যা রীতিমত প্রশংসনীয়।

 আর সেই রকম ভাবেই বর্তমান এই লকডাউন পিরিয়ডেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে বাঁকুড়া খাতড়া মহকুমার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহলের পিছিয়ে পড়া আদিবাসীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দেওয়া,কখনো দুস্থ বা শিশুদের রান্না করা খাবার তাদের হাতে তুলে দেওয়া, এমনকি নিজের হাতে ছোট ছোট বাচ্চাদের মাস্ক পরিয়ে দেওয়া, প্রত্যন্ত আদিবাসীদের কাছে করোনা ও করোনার আতঙ্ক নিরসনে কি কি করণীয় তা রীতিমতো পরামর্শ দিয়ে চলা, এছাড়াও লকডাউনের বিধি-নিষেধ গুলোকে মান্যতা দেওয়া, গ্রাম থেকে গ্রামে ছুটে  ডাল ভাত, ডিম ভাত জোগাড় ও বিলিবন্টন করে মুখ্যমন্ত্রীর এই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে "অন্নদান মহাদান" কর্মসূচিকে সঠিক ভাবে পালন ও বাস্তবায়নে নিয়োজিত করে রেখেছেন। 


 প্রশাসনের অন্দরমহলে কান পাতলেই শোনা যায় এসডিপিও বিবেক বার্মার জনপ্রিয়তা ও তার বিশেষ জনসংযোগ ইতিমধ্যেই তাকে সবার থেকে একটু হলেও আলাদা স্থান দিচ্ছে।খাতড়ার স্থানীয় সাধারণ মানুষজন সূত্রে খবর বিবেক বার্মার সহজ সরল,সামাজিক মনোভাব ও অতীব সাধারণ জীবনযাত্রাই নাকি এইসব গরীব দুস্থ অসহায় নিম্ন শ্রেণীর মানুষের সঙ্গে মিশে একাত্ম হতে পুরোপুরি অক্সিজেন যুগিয়েছে। জঙ্গলমহলের মানুষের পালস কে অনুভব করে একদা ক্ষিপ্ত পুলিশ-মারমুখী সরকারবিরোধী এই সব  আদিবাসী সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়া মানুষজনকে প্রতিনিয়ত মমতা মুখী করে তুলছেন। 

আমাদের তরফ থেকে এই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন জেলার পুলিশ সুপারের সময় মত সহযোগিতা ও নির্দেশনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী, বাংলায় বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ও সংকটকালীন পরিস্থিতির মোকাবেলাতে ব্যক্তিগত রাস্তায় নেমে জনগণের পাশে থেকে সেবা করা এটাই   বারংবার তার কাজে প্রেরণা যোগায়। তাই  প্রশাসনিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের পরেও যুক্ত থাকেন বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে একদা "মাওবাদী তকমা" থেকে সাধারণ জীবনযাত্রায় ফিরে আসা আদিবাসীদের নিয়ে তাদেরকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন বাঁকুড়া জেলা পুলিশের উদ্যোগ নেওয়া বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামাজিক কাজে।

Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment