যৌন নিগ্রহে বিশ্বের নিকৃষ্টতম মেগাসিটির তালিকায় শীর্ষে দেশের রাজধানী নয়াদিল্লি

নারীর প্রতি যৌন সহিংসতার ও হেনস্তার দিক থেকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম মেগাসিটির তালিকায় ব্রাজিলের সাও পাওলোর পাশাপাশি শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে দেশের রাজধানী নয়াদিল্লি৷থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত এক রিপোর্ট এ উঠে এসেছে এই ভয়ঙ্কর তথ্য ৷ ধর্ষণ ও ধর্ষণ শেষে হত্যাকাণ্ড প্রায় নিয়মিতই জায়গা করে নেয় দৈনিক পত্র-পত্রিকায় ৷ পুলিশ ও প্রশাসন এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে দিল্লিতে ধর্ষণের শিকার হয় ২১৫৫ জন, যা ২০১২ সালের তুলনায় ৬৭ শতাংশ বেশি৷

আবার দেশের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের অর্ধেকেরও বেশি বাচ্চা যৌন নিগ্রহের শিকার৷ তবে সবচেয়ে ভয়ংকর সত্য হলো, নাবালিকা বা শিশুর ওপর যৌন হেনস্থার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে পরিবারের মধ্যে, পরিবারেরই কোনো মানসিক বিকারগ্রস্ত সদস্যের হাতে৷ তাই সে সব ঘটনা পুলিশের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, রুজু  হচ্ছে না কোনো ডাইরি অথবা মামলা৷
অবশ্য এর  আগে থেকেই দিল্লি বিশ্বে ‘ধর্ষণের রাজধানী' হিসেবে নিন্দা কুড়িয়ে আসছে৷ প্রায় ২ কোটি ৬৫ লক্ষ  মানুষের দিল্লি,বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল মেগাসিটি৷ দিল্লি শহরের নারীরা সম্ভ্রম হারানো, যৌন হামলার শিকার হওয়া, ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির আতঙ্কে থাকে৷ তবে ‘নির্ভয়া ধর্ষণকাণ্ডের' পর সারা বিশ্বে ভারতের যৌন সহিংসতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, যেখানে পথেঘাটে, স্কুলে, গণপরিবহনে নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়৷ দালালের হাতে পড়ে পাচার ও বিক্রি করে হয়ে যায় অসংখ্য নারী৷
তবে নারীর জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মিসরের কায়রো৷ পাকিস্তানের করাচি রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে৷ ধর্ষণে সবার ওপরে থাকলেও নারীদের জন্য ‘সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক' শহরের তালিকায় দিল্লির নাম রয়েছে চারে৷ এ তালিকায় বাংলাদেশের ঢাকার অবস্থান সপ্তম৷ যৌ্ন সহিংসতার বিচারে ‘নারীর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ' জায়গা হিসেবে নাম এসেছে জাপানের রাজধানী টোকিওর.
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment