দলের যথাযথ গাইড লাইন্স না মানায় বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী

Indiapost24 Desk:মন্ত্রী জাকির হোসেনের গরুপাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন রকম অভিযোগ ও তার নিজ প্রাণ নাশের আশঙ্কা জনিত কারণে  রঘুনাথগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের ও আচমকা প্রেস মিট কে কেন্দ্র করে গত তিনদিন ধরে বেশ উত্তপ্ত তৃণমূলের মুর্শিদাবাদের উচ্চ নেতৃত্ব সহ গোটা কালীঘাটের অন্দর মহলও ..আর এই গরু পাচার সংক্রান্ত বিষয় মুর্শিদাবাদের একাংশের  সাধারণ মানুষজনের মতে গরু পাচারের এই ইতিহাস অনেকদিনের পুরানো,আজ নতুন কিছুই নয়,এই সব পাচারকারীরা একসময় সিপিএম ও কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় ছিল আর বর্তমানে শাসক দলের ছত্রছায়ায় থেকে তারা কাজ করছে বলে ঠিক এমনটাই দাবি তাদের..তারা আরোও বলছে এই বৈধ-অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত স্থানীয় অনেক মানুষের রুজি-রোজগার, ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত স্থানীয় অর্থনীতিও.স্থানীয় অনেকের নজরে এই কাজটি অনেকটাই যেন বৈধ কারণ তারা মনে করেন গরু পাচার চক্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে যুক্ত মানুষজন পাচার বন্ধ হয়ে গেলেই  তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই-চোলাই মদের কারবার ও অন্যান্য রাহাজানির মধ্যে নিজেদের কে জড়িত করে ফেলতে পারে ফলে সমাজ হবে আরো কুলষিত আর এই যুক্তির ভিত্তিতেই তাদের দাবী রাজ্যের অন্যান্য মানুষের কাছে তা পুরোপুরি অবৈধ হলেও তাদের কাছে কোথায় যেন এটা অনেকাংশে বৈধ ও সয়ে যাওয়ার মতন একটা নিত্য নৈমিত্ত বিষয় ..
অন্যদিকে আচমকা শাসক দলের মন্ত্রীর হঠাৎ এই অভিযোগকে  কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে তবে কি এই অভিযোগের পিছনে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল কাজ করছে? তাই কী নিজের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখতে এই গ্রেফতারের দাবি ? আবার মন্ত্রীর সরাসরি দাবী পাচারকারীদের মদতেই সীমান্তপার দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করছে,হচ্ছে অস্ত্র ও মাদক পাচার যা পুরো পুরি অস্বস্তিতে ফেলেছে গোটা তৃণমূল দলকে..আবার নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী তৃণমূল ভবনে রাজ্য কোর কমিটির মিটিংয়ে স্বয়ং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী তাঁর দলের এই মন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি দেন দলের উপরে আস্থা না রেখে,জেলা পর্যবেক্ষকের সঙ্গে যথা-যথ আলোচনা ছাড়াই ও প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তাদের সঠিক সহযোগিতা না নিয়েই রাতারাতি কোনো পরামর্শ ব্যাতীত বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যম দিয়ে যেভাবে তিনি তাঁর অনাস্থা প্রকাশ করেছেন তাতে তিনি একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রী হিসাবে শুধু তার নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করেননি বরং তিনি তার সঙ্গে জড়িত গোটা তৃণমূল পার্টির ভাবমূর্তিকেও নষ্ট করার পাশাপাশি  প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার উপর প্রশ্ন চিহ্ন উঠিয়ে দলের গাইডলাইনস উপেক্ষা করায় বেজায় ক্ষুব্ধ স্বয়ং নেত্রী.প্রকাশ্যে দলের এই যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও কোন্দল এক

 জন কর্মরত মন্ত্রীর মাধ্যমে যে ভাবে চিত্রিত হলো  তাতে কী তিনি তাঁর নিজের দলেই তিনি আরো কোণ ঠাসা হয়ে পড়লেন নাকি আগামী দিনে আরো কিছু উত্ত্প্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেতে চলেছেন প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে.   
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment