রাজ্যে শাসক দল এবার বিরোধীর ভূমিকায়

রাজ্যের  ৮টি রেলশাখা বন্ধের প্রস্তাব  অবিলম্বে প্রত্যাহার না-করলে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিলেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 
শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রেল মন্ত্রককে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হচ্ছে। তার মধ্যে যদি রেলমন্ত্রক কর্তৃক দেয়া  চিঠি প্রত্যাহার না করলে,  ১ লা  ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের পাশাপাশি সর্বভারতীয় স্তরেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবে তৃণমূল।  পার্থ চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। বাংলার মানুষকে বারবার বঞ্চনা করা হচ্ছে।

যদিও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, মিথ্যাচার করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র কোনও রেলশাখা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে দাবি করেন তিনি। জানান, শুধুমাত্র লোকসানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সারা দেশে সমীক্ষা চালানোর পর সব রাজ্যকেই  চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান রাহুল সিনহা। একই সঙ্গে রাজ্যের মানুষের স্বার্থে তৃণমূল সরকার কেন ৫০ শতাংশ ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নিচ্ছে না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
শুক্রবার মুখ্যসচিবকে লেখা এক চিঠিতে রাজ্যের ৮টি অলাভজনক রেলশাখা বন্ধের প্রস্তাব দেয় রেলমন্ত্রক। চিঠিতে বলা হয়, ওই ৮টি শাখায় লোকসান হচ্ছে রেলের। তাই ওই শাখায় ট্রেন চালানো সম্ভব নয়। পাশাপাশি ওই ৮টি শাখায় ট্রেন চালাতে গেলে রাজ্যকে অর্ধেক খরচ বহন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

যে ৮টি রেলশাখা বন্ধের প্রস্তাব-

কল্যাণী-সীমান্ত
সোনারপুর-ক্যানিং
শান্তিপুর-নবদ্বীপ
বারাসত-হাসনাবাদ
বালিগঞ্জ-বজবজ
বারুইপুর-নামখানা
বর্ধমান-কাটোয়া
ভীমগড়া-পলাশিস্থলি  
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment