বাংলাদেশ সীমান্ত জেলাগুলিতে অতি সক্রিয়তায় সংঘ পরিবার !!!



মৃত্যুঞ্জয় সরদার : ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর পুর্বাঞ্চালের অসম,ত্রিপুরা, মেঘালয় সীমান্তে রাষ্ট্রীয়  স্বয়ংসেবক সংঘ তাদের ইউনিটগুলিকে আরও সক্রিয় করে তুলতে চাইছেন। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই রাজ্যগুলির যে সব সীমান্তে সংঘ পরিবার আস্তিত্বহীন, যে সব এলাকায় নতুন ইউনিট গড়ার পরিকল্পনার কথা ভাবছেন সংঘ পরিবারের নেতারা। বাংলাদেশ থেকে মানবিক ও ধর্মীয় কারনে চলে আসা হিন্দুদের ভারতের শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দেবার পক্ষে বহু দিন আগে থেকেই সংঘ পরিবার সক্রিয়। এই ইস্যুতে বিজেপি ও একই দাবী তুলে আসছে। বিজেপির লক্ষ্য হল যে,বাংলাদেশ থেকে আসা মুসলমানরা হলেন অনুপ্রবেশকারী।
        বিজেপি -আর এস এস নতুন করে হিন্দুত্ব আর মুসলিম অনুপ্রবেশকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সীমান্ত রাজ্যগুলিতে সক্রিয় ভুমিকা গ্রহণে সচেষ্ট হতে চলেছে। পশ্চিমববঙ্গ বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলা গুলি যেমন মালদহ, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনা এই ৮টি জেলায় আর এস এস, বিজেপি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল,বিদ্যার্থী পরিষদ, স্বদেশি জাগারণ মঞ্চ সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাজকর্মকে সক্রিয় করার কথা ভাবা হচ্ছে।
            অসমে ক্ষমতায় আসা ও মনিপুর অরুনাচলে ক্ষমতা দখলের পর সংঘ পরিবারের সক্রিয়তা অনেকটাই বেড়েছে। মোহন ভাগবত সহ আর এস এসবের শীর্ষ নেতৃত্ব উত্তর পুর্বাঞ্চল ও পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ সমস্যাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪পরগনার হিন্দু ও তপশিলী সংগঠন মতুয়া মহাসংঘের সঙ্গে ও আর এস এস বিজেপি বোঝাপড়া চাইছে বলে সুত্রের খবর। গত কয়েক বছর হাজার হাজার বাংলাদেশী হিন্দু বাগদা, বনগাঁ ,গাইঘাটা,ঠাকুরনগর, গোবরডাঙা, হাবড়া, প্রভৃতি এলাকা ছেয়ে ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিগত বিধানসভা নিবার্চনে মতুয়ামহাসংঘের বিরুদ্ধে সিপিএম অভিযোগ তোলে যে, মতুয়া নেতারা বাংলাদেশী হিন্দু অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাদের বাংলাদেশে ছেড়ে এখানে চলে আসতে ইন্ধন  দিচ্ছে।
         আর এস এস উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ,বারাসত,বসিরহাট মহকুমায় নিজেদের সক্রিয় করে তুলতে চাইছে। এখানে হিন্দত্ব ও মুসলিম অনুপ্রবেশ সমস্যাকে তারা বিশেষভাবে  হাতিয়ার করে তুলেছে চাইছে আর এস এসবের সমর্থনে এমনটাই মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল।
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment