কর্মী সভাকে ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরল মালদা জেলা তৃনমূল ছাত্র পরিষদ





কর্মী সভাকে ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরল মালদা জেলা তৃনমূল ছাত্র পরিষদ।

 ছিল তৃনমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা দিবসের প্রস্তুতি সভা।আগে থেকেই আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল কিছু একটা ঘটবে।শেষ পর্যন্ত তাই হল।এবার রাস্তায় নামলো তৃনমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।সভানেত্রী জয়া দত্তের সামনেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল মালদা জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠী।আর এই সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে রিতিমত নিগৃহীত হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি।দলিও কর্মীদের আমন কাণ্ড দেখে ক্ষুব্ধ TMCP-র রাজ্য সভানেত্রী জয়া দত্ত।দুই পক্ষকেই এক হয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন নেত্রি।

আগামী ২৮ অগাস্ট তৃনমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস।প্রতি বছরের মতো এবারও কলকাতার শহিদ মিনারে সংগঠনের পক্ষ থেকে সমাবেশ করা হবে। সেই সমাবেশ সফল করতেই বুধবার মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিঙ্কর সদনে একটি সভা ডাকেন জেলা TMCP সভাপতি প্রসূন রায়।এই কর্মী সভার প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য তৃনমূল ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী জয়া দত্ত।তবে মালদা জেলা তৃনমূল ছাত্র পরিষদের দুটি গোষ্ঠীর কার্যত সুত্রপাত সভাপতির পদ থেকে প্রসেনজিৎ দাসকে সরিয়ে প্রসূন রায়ের সভপতি হওয়ার পর থেকেই।এক গোষ্ঠীর নেতা প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস।আর অন্য গোষ্ঠীর নেতা বর্তমান জেলা সভাপতি প্রসূন রায়।সম্প্রতি SFI থেকে TMCP-তে যোগ দেন প্রসূন। তারপর তাঁকে সংগঠনের জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে।যা মেনে নিতে পারেনি অন্যপক্ষ।

বুধবার দুপুরে মালদা কলেজ অডিটোরিয়ামের দুর্গাকিঙ্কর সদনে কর্মীসভার সুছনা হয়।এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন, রাজ্যের দুই প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ ও সাবিত্রী মিত্র, বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ, জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি অম্লান ভাদুড়ি,প্রাক্তন TMCP জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস,র্তমান জেলা সভাপতি প্রসূন রায় সহ একাধিক কর্মী সমর্থকেরা।এদিকে সেই সময় অডিটোরিয়ামের বাইরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। সমস্যা হতে পারে জেনে আগে থেকে পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকলেও বিবাদমান দুই পক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। এদিকে সভার ভিতরে জয়ার উপস্থিতিতে অম্লানবাবু যখন বক্তব্য রাখছিলেন তখন TMCP কর্মী বিশ্বজিৎ মণ্ডল মঞ্চে উঠে বলতে শুরু করেন, তাঁকে কেন মারা হল ?   বিশ্বজিৎ মণ্ডল যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তখন তাঁকে শান্ত করতে এগিয়ে আসেন প্রাক্তন মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী।কিন্তু তাতেও তিনি দমেননি। এরপর কয়েকজন কর্মীরা আসে তাঁকে কোনক্রমে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়।এদিকে সভা শেষ হওয়ার পরও বাইরে চলে কর্মীদের তাণ্ডব। প্রকাশ্যেই একে অপরকে মারা হয়।আমাদের ক্যামেরায় সেই ছবি পরিস্কার ধরা পড়ে।পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে বুঝে ইংরেজবাজার থানার আই,সি র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও RAF ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

এসব দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সভানেত্রী জয়া দত্তও।তিনি বিবাদমান দুই পক্ষকে একজোট হয়ে কাজ করার নির্দেশ দেন। তবে এতকিছুর পরেও তাঁর মন্তব্য, ঘটনায় তাঁদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। এসব CPI(M) আর কংগ্রেসের বেনোজলের কাণ্ড।২৮ আগস্টের পর সব সমস্যার সমাধান হবে। 
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment