মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে রইলো কিছু কার্যকরী টিপস !!

মস্তিস্ককে নিয়মিত কাজের মধ্যে রাখুন, যেন সে অভ্যস্ত হয়। মস্তিস্ককে যতবেশী কার্যকরী করতে পারবেন আপনার জীবনে সফলতার হার বাড়বে ততবেশী। তাই প্রকৃতি প্রদত্ত ক্ষমতার এই বিশাল আধার কে কার্যকর করার জন্য চেষ্টা করতে থাকুন যতবেশী সম্ভব।কার্যক্ষমতা বাড়াতে রইলো কিছু কার্যকরী  টিপস:

১. এক গবেষনায় দেখা গেছে যারা সপ্তাহে ৫/৬ বার দুধ পান করেন তাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা যারা দুধ পান করেন না তাদের চাইতে বেশী। অতএব দুধে আপনার অনীহা থাকলেও নিয়মিত দুধ পান করুন।
২. আপনি যদি ডান হাতে নিয়মিত লিখেন তবে মাঝে মাঝে বাম হাতে কিছু লিখার চেষ্টা করে (বাম হাতে যারা লেখেন তারা ডান হাতে) দেখতে পারেন। শুধু না হয় এ্যালফাবেট লিখুন। লেখা দেখতে হয়তো জঘন্য হবে, তবে মাঝে মাঝে এ কাজটি করলে আপনার মস্তিস্ক নতুনত্ব খুজে পাবে এবং ধীরে ধীরে দেখবেন লেখা ভালো হচ্ছে এবং আপনার মস্তিস্ক বিপরীত দিকেও অভ্যস্ত হচ্ছে।
৩. নিয়মিত ব্যায়াম করলে মস্তিস্কের নতুন সেলের জন্মানোর হার বৃদ্ধি পায়। ধারনা করা হয় ব্যায়াম মস্তিস্কের স্মৃতিধারন এবং শিক্ষাগ্রহনের যে অঞ্চল হিপ্পোকেম্পাস, সে অঞ্চলের নতুন সেল বৃদ্ধির হার বাড়ায়।
৪. লন্ডনের কিংস কলেজের এক গবেষনায় জানা যায়, যারা নিয়মিত ধুমপান করেন তাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়। তাই যারা ধুমপান করেন ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।
৫. ফোন নম্বর মনে রাখতে পারছেন না? আপনাকে কেউ ফোন নম্বর দিলে সেই নম্বর গুলো আলাদা আলাদা ভাবে মনে রাখার চেষ্টা করুন। যেমন কেউ আপনাকে নম্বর দিল, সেক্ষেত্রে আপনি তিন ডিজিট করেও মনে রাখতে পারেন, এভাবে মনে রাখার চেষ্টা করুন, আপনার জন্য মনে রাখা সহজ হবে।
৬. চকলেট খেলে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সায়েন্টিস্টরা ২ হাজার লোকের উপর এক গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, যারা চকলেট খায় তাদের মনে রাখার ক্ষমতা যারা চকলেট খায়না তাদের চাইতে বেশী। তাই চকলেট কে এড়িয়ে যাবেন না।




৭. নিয়মিত গ্রীন টি খান, এটা মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
৮ . অপর্যাপ্ত ঘুম মস্তিস্কের স্মৃতি অঞ্চলের কার্যক্ষমতা হ্রাস করে এবং মস্তিস্কের সব কিছু অতি দ্রুত ভুলে যাবার প্রবনতা বৃদ্ধি পায়। অতএব পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
৯. আমাদের ইট, কংক্রীটের শহরে প্রকৃতি দেখার সুযোগ কম। তবে মাঝে মাঝে সুযোগ পেলে সবুজ প্রকৃতির কাছে যান, সবুজ প্রকৃতি আপনার চোখ এবং মস্তিস্ক দুটোর জন্যই ভালো। এমনকি শুধুমাত্র প্রকৃতির ছবি দেখাও কখনো মস্তিস্কের জন্য কার্যকরী।
১০. সবকিছুতে পজিটিভ চিন্তা করলে মস্তিস্কের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের নিঃসরন বাড়ে যা এবং দেহের বিভিন্ন অংশে প্রশান্তি বাড়ায়। তাই চেষ্টা করুন সবকিছুতে পজিটিভ ভাবতে।
১১. আপনি যখন পানিশূন্যতায় ভুগবেন আপনার মস্তিস্ক কোন কিছুতে মনোসংযোগ করতে পারবে না, পানি শরীর এবং মস্তিস্ক দুটোর জন্যই প্রয়োজনীয়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
১২. নিয়মিত পাজল, শব্দজট, দাবা, সুডোকু ইত্যাদ খেলাগুলো খেলতে পারেন, এতে আপনার মস্তিস্ক উদ্যমী হবে।

Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment