হেমার আত্মজীবনী 'বিয়ন্ড দ্য ড্রিমগার্ল

হেমা মালিনীর ৬৯তম জন্মদিনে  প্রকাশিত হলো রাম কমল মুখোপাধ্যায়ের লেখা হেমার আত্মজীবনী 'বিয়ন্ড দ্য ড্রিমগার্ল'। বইয়ের সূচনা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং। এর সূচনায় ভারতীয় সিনেমায় হেমার ৫০ বছরের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হেমা এই সময়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন। বেশ কয়েক দশক ধরে বহু ছবিতে দেখা গিয়েছে তার প্রতিভার বিচ্ছুরণ। চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেভাবে তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য জনপ্রিয় করে তুলেছেন তা অত্যন্ত প্রশংসাযোগ্য।
মোদী আরও বলেছেন, তিনি বহু বছর ধরে সক্রিয় বিজেপি কর্মী, রাজ্যসভা ও লোকসভা দু’ক্ষেত্রেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তাঁর কেন্দ্র মথুরার মানুষের আশা আকাঙ্খা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
 ১৯৬৮-তে রাজ কপূরের সপনো কা সওদাগর ছবি দিয়ে তার বলিউডে পা রাখা। তারপর সীতা অউর গীতা, শোলে, ড্রিম গার্ল, সাত্তে পে সাত্তার মতো ছবি দিয়ে দর্শকের মন জিতে নেন তিনি। পুরুষশাসিত বলিউডে তিনিই ছিলেন প্রথম মহিলা সুপারস্টার।
 বইটিতে হেমার শৈশব, কৈশোর, বলিউডে আসা, অভিনেত্রী হয়ে ওঠা, রোম্যান্স, সহ অভিনেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক, বিয়ে, - সব জানা অজানা তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। রয়েছে তাঁর নৃত্যজীবন, রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক সফরও।
সর্বমোট ১১ বার ফিল্ম ফেয়ার পুরষ্কারে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পান এই রূপবতী নায়িকা। ২০০০ সালে 'পদ্মশ্রী' সম্মাননা লাভ করেন হেমা।










Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment