জয়নগরের তৃণমূল সাংসদকে এয়ার ইন্ডিয়া কর্মীদের হেনস্থা

Indiapost24 Desk:তৃণমূল কংগ্রেসের জয়নগরের সাংসদ প্রতিমা মন্ডল একজন ভিভি আই পি হওয়া সত্বেও দেশের রাজধানীর বুকে দিল্লিতে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মীদের হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। গতকাল দলের প্রতিষ্ঠা বার্যিকীতে অংশগ্রহনের পর সাংসদ প্রতিমা মন্ডল নয়াদিল্লি যেতে এয়ার ইন্ডিয়া নির্ধারিত বিকেলের ফ্লাইটের(অ১-৭-০১) এর ৫.৩০ মি এর   যাত্রী ছিলেন। তাঁর সঙ্গে একই বিমানে তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়, কল্যান বন্দোপাধ্যায় ,রত্না দে নাথ,তাপস মন্ডল  এমনকি কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হর্ষবর্ধন ও একই বিমানের সহযাত্রী ছিলেন। কিন্তু দমদম নেতাজি সুভাষ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার(এই-৭-০১ ) দিল্লিগামী নির্ধারিত বিমানটি বিকেল সাড়ে পাঁচটায় না ছেড়ে দীর্ঘ ৪ ঘন্টা পর রাত ৯.৩০ মি নাগাদ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের কে জানায় যে টেকনিকাল সমস্যার জন্য প্লেন টি টেক অফ  করতে পারছে না  ফলে অন্য  আর একটি ইন্টারন্যাশনাল কানেকটিং এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট -(এই-০-২৩)  তে  রাত সাড়ে ১২.৩০মি তে যেতে হবে । ঐ দিনই সাংসদ প্রতিমা মন্ডলের কন্যা দিল্লি থেকে প্যারিস চলে যান। কলকাতা থেকে বিমানটি ভোর রাত আড়াইটে নাগাদ নয়াদিল্লি পৌঁছান। তার আগেই তাঁর কন্যা নির্ধারিত সময়ে প্যারিস চলে যান। 
এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিমা মন্ডল দিল্লি বিমান বন্দরে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মী ও অধিকারিকদের তাঁর ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন। কিন্তু একজন সাংসদ হওয়া সত্বেও এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মীরা তিনি কোথাকার সাংসদ, তাঁর অফিস কোথায়, তিনি প্রাক্তন সাংসদ কিনা সহ নানা বাক্যবাণে তাঁকে জর্জরিত করেন উল্টো তাদের ব্যার্থতা ঢাকার উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবেই এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটান বলে দাবি প্রত্যক্ষ দর্শীদের ও পর্যবেক্ষক  মহলের।
 তাঁর বক্তব্য ছিল যে, নয়াদিল্লিতে তাঁকে ও অন্য আটকে যাওয়া ভিভিআইপিদের কেন অন্য বিমানে এয়ার ইন্ডিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করেনি?পাল্টা প্রতিমা মন্ডলকে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মীরা বলেন যে,তিনি অন্য অনেক সংস্থার ফ্লাইটে যাতায়াত করেন। বিমান বন্দরে দীর্ঘসময় ধরে এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মী ও অধিকারিকরা তাঁকে হেনস্তা করেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। সাংসদ প্রতিমা মন্ডল এনিয়ে সরকারের উচ্চস্তানে,এমনকি লোকসভার স্পীকার সুমিত্রানন্দন মহাজনকে বিষয়টি জানানোর ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছেন। 

বিভিন্ন মহলে ও সাধারণ যাত্রীদের মনে প্রশ্ন এয়ার ইন্ডিয়ার কর্মীদের হাতে যদি একজন সাংসদকেই এই ধরণের হেনস্তার শিকার হতে হয়,তাহলে সাধারণ প্রতিদিনের যাতায়াত কারীদের কতটা দুর্ভোগ পোয়াতে হচ্ছে বলে সমালোচনা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল ..


যদিও এই বিষয়ে আরোও এক  সহযাত্রী সাংসদ তাপস মন্ডল আমাদের জানান এয়ার ইন্ডিয়ার মতো এই ধরণের বিমান সংস্থার কর্মীদের এই ধরণের অশালীন মন্তব্য ও যাত্রীদের সঙ্গে ভাওতাবাজী সত্যি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ যে ভাবে তারা ১৫ -২০ মি করে করে মিথ্যা আননোউন্স করে করে  ৪ ঘন্টা আটকে রেখে মূল সমস্যাকে গোপন করেছে তা  মোটেই ভালো ভাবে ডেকছেন না কোনো যাত্রীরা ও তাদের পরিবার বর্গরা ..এখন দেখার বিষয় এয়ার ইন্ডিয়ার তরফ থেকে কি বিশেষ ব্যবস্থা  গ্রহণ করতে চলেছে এই বিষয়ে..  
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment