নিয়োগপত্র ছাড়াই এলাকার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দাদাগিরি ও দাপট

মধ্যমগ্রাম কাণ্ডে সিভিক ভলেন্টিয়ারের এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরও একবার সামনে উঠে এসেছে বিভিন্ন এলাকার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দাদাগিরি ও দাপটের চিত্রগুলি.. এলাকায় তাদের দীর্ঘদিনের দাপটের কথা  বইকে   আরোহী থেকে চার চাকা থেকে রাত্রে লরিচালকদের নিস্তার নেই কারোরও ..পর্যবেক্ষক মহল বলছে শাসক দলের নেতাদের মদতেই তাদের এতো বাড়বাড়ন্ত  যেন একজন সরকারি ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক দের চেয়েও অনেক বেশি ..

মধ্যমগ্রাম কান্ড আবারও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখেয়ে দিলো  মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ এর ফলে সারা পশ্চিমবঙ্গবাসী জানতে পারলো  ও সঠিক আইনত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে অপরাধীর বিরুদ্ধে কিন্তু প্রশ্ন উঠছে ভিন্ন ভিন্ন মহলে যে প্রতিদিন দিনে ও রাতে আরও অনেক ঘটনা ঘটছে যা হয়তো সংবাদ মাধমের দৃষ্টি তে যথাযথ না পড়ায়  জানতে পারছেন না অনেকেই কিন্তু তা ঘটে  চলেছে গোটা পশ্চিমবঙ্গব্যাপীই..তাই এদিন সর্বত্রই বিভিন্ন এলাকার মানুষের অনেকদিনের ক্ষোভ ও যন্ত্রনাকে উগরে দেয় এই মধ্যমগ্রাম কাণ্ডে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ ..

বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বিভিন্ন মানুষের  দাবি দীর্ঘদিন ধরে তাদের চলে আসছে এরকম অরাজগতা, আবার  ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ কাউকে বিনা হেলমেটে মোটরবাইক বা  স্ক্যুটি  চালাতে দেখলেই তাদের থামিয়ে টাকা চাওয়া হয় এছাড়াও বিভিন্ন কারণে কারণ দেখিয়ে অকারণে দাঁড় করিয়ে  টাকা তোলা পাশাপাশি  চরম মাত্রার দাদাগিরি আবার কেউ কেউ তাদের মধ্যে বলে নাকি "নাগা চেকিং" এর নির্দেশ তাও নাকি উপর মহলের বসেদের আদেশ অনুযায়ী তাহলে দশ-বিশ টাকার বিনিময়ে এই ভাবে বসেদের আদেশ কে বিকৃত করছেন কেন বলে অভযোগ তুলছেন অনেক সমস্যা ভোগী সাধারণ মানুষ জন ,আইনের কে প্রহসন..সূত্রের খবর বারাকপুরে  পুলিশ কেমিস্সনারাত  এলাকায় সিভিক ভলেন্টিয়ারের সংখ্যা ১৭০০,২৪ পরগনায় (উত্তর)  আবার ১৫০০ জন ,গোটা পশ্চিমবঙ্গের ২৩ টি জেলা ব্যাপী কম বেশি ১২০০০০ জন  সিভিক ভালেন্টিয়ার্স কাজ করছে তাদের আবার একাংশের মতে থানার বড়ো কর্তারা নাকি তাদের দিয়ে  এই রোড কালেকশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন রেইড করতেও তাদেরকে বলপূর্বক নিয়ে যায়.. 

কেবল স্থানীয় নেতাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই কাজ করে,মাসিক বেতন ৫৫০০ টাকা, নেই কোনো নিয়োগপত্র তাতেই  তাদের এতো দাদাগিরি,এতো দাপট যাদের কাজ গাড়ি আগে পিছে করা সিগন্যাল ফলো করা, সঙ্গে যানজট না হতে দেয়া কিন্তু তারা আজ তোলাবাজ,নাগা চেয়কিং এর নায়ক ভাৱতেও অবাক লাগে এ কোন দেশের কোন রাজ্যে আমরা অবস্থান করে আছি আমরা  সুতরাং এটা খুবই পরিষ্কার বিষয় যে পিছনে নিঃসন্দেহে শাসকদলের একটা বড়ো মদদ আছে বলেই তাদের এই এই ক্ষুদ্র পরিসের ক্ষমতাটা আজ বেআইনি ভাবে কোথায় পৌছিয়েছে আর সংযত না হলে কাল হয়তো রাত্রি-কালীন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদেরও ফেস করতে হতে পারে এই সব চুনো-পুটিদের নাগা চেকিংয়ে!!..
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment