পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তোগাড়িয়া

NNS :বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কট্ররপন্থী আন্তর্জাতিক সভাপতি প্রবীণ তোগাড়িয়ার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও তাঁর সমর্থকদের দীর্ঘদিনের বিরোধী রাজনৈতিক মহল জেনে এসেছে। গুজরাট নিবার্চনের সময় অভিযোগ উঠেছিল যে,বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তোগাড়িয়া ঘনিষ্ঠরা কংগ্রেসকে সুবিধা পাইয়ে দিতে নানা নাশকতার জাল বুনেছিলেন। 

এবার প্রবীন তোগাড়িয়া দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর তাঁকে হত্যা করার চক্রান্ত নিয়ে মুখ খোলার একদিকে মোদী সরকার,অন্যদিকে বিজেপিতে মোদী -অমিত শাহ ঘনিষ্ঠরা যথেষ্ঠ রাজনৈতিক অস্বস্তির  মধ্যে পড়েছেন। রীতিমতো সাংবাদিক সস্মেলন ডেকে আজ রাজস্থান পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ আনলেন বিশ্বহিন্দু পরিষদের নেতা প্রবীন তোগাড়িয়া। 

গতকাল তাঁর নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার ব্যাখ্যা  দিতে গিয়ে তোগাড়িয়া বলেন, তাঁকে এনকাউন্টার করে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল পুলিশ। আগাম খবর পেয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। নিজের উধাও হয়ে যাওয়ার ব্যাখা দিতে গিয়ে তোগাড়িয়া মঙলবার সাংবাদিকদের বলেন, দু দশক পুরানো একটি মামলার আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে। রাজস্থান পুলিশ আমাকে গ্রেফতার করতে এসেছিল। কিন্তু আমার কাছে খবর ছিল এনকাউন্টার করে আমাকে মেরে ফেলা হবে।
প্রবীন তোগাড়িয়া আরও বলেন যে,ওরা আমার মুখ বন্ধ করতে চায়। রাম-মন্দির নির্মাণ, গোহত্যা বন্ধ ও চাষী দের পক্ষে বরাবরই আমি সবর। তাই আমাকে থামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত কারা তাঁকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছে তা বলতেও অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, হাতে প্রমাণ নিয়ে নাম করে খুনের পরিকল্পনাকারীদের পর্দা ফাঁস করব। 

উল্লেখ্য ,গতকাল সকাল এগারোটায় নাগাদ আহমেদাবাদ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দপ্তর থেকে অটো চড়ে বেরিয়ে যান তোগাড়িয়া। তারপর কয়েক ঘন্টা আর তার কোনও খোঁজ মেলেনি।এই খবর রটে যেতেই রাস্তায় নেমে পড়েন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সমর্থকরা। গুজব ছড়ায়. এনকাউন্টার হত্যা করা হয়েছে তোগাড়িয়াকে।এতে প্রবল বিপাকে পড়ে যায় গুজরাট পুলশি। 

এদিকে, সারাদিন খোঁজখুজির পর আহমেদাবাদের শহিবাগ. এলাকায় একটি অটো থেকে বেহুঁশ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তোগাড়িয়াকে। আজ প্রবীন তোগাড়িয়ার প্রকাশ্য সাংবাদিক সস্মেলনে তাঁকে হত্যা করার চক্রান্ত নিয়ে যে অভিযোগ তোলে হয়েছে তাতে প্রচন্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ সহ দলের বড় অংশ এমনটাই সুত্রের খবর। আর এস এসের শীর্ষ নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে কথা বলেই যে, প্রবীন তোগাড়িয়া সাংবাদিক সস্মেলন করেছেন তা নিয়ে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল।
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment