রাজীবের গুগলিতে আবারো পরাস্ত কংগ্রেস নেতা,চলছে ভাঙা গড়ার মতো এক আশ্চর্যচকিত রাজনীতি !!

 Indiapost24 Web Desk:আসন্ন ২০১৮ সালের ত্রি-স্তর পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বিভিন্ন জেলার মতো রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলার জমিনও,সর্বত্র চলছে ভাঙা গড়ার মতো এক আশ্চর্যচকিত রাজনীতি কখনও শাসকদলে  আবার কখনও বা বিরোধীদলে, সর্বত্র যেন এক চাঞ্চল্যকর যোগ বিয়োগের অঙ্ক, আর এই ভাবে অধীরগড়ে এক সময়ের পোড় খাওয়া সাংগঠনিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সদ্য প্রয়াত মান্নান হোসেন যেভাবে নিপুণতার সাথে বিরোধীদল গুলির নেতৃত্বদেরকে রাজনৈতিক গুগলি বলে পরাস্ত করিয়ে করিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে মুর্শিদাবাদের মত কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটিতে দাঁড় করিয়েছিলেন এবং অধীরগড়ের অনুর্বর জমিতে যেভাবে তৃনমুল কোম্পানির সার ঢেলে ও পাশাপাশি সঠিক লাঙ্গল দিয়ে চাষ করে করে ঘাঁস ফুল ফুটিয়ে খুব কম সময়ে রবিনহুডের গোটা গড় কে যে ভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিলেন তা নিঃসন্দেহে মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে কিন্তু হটাৎ করে তাঁর অকাল প্রয়াণে বিরোধী শিরিরে আবার কোথাও যেন আবার একটা আশার দ্বীপ দপ জ্বলে উঠেছিল কিন্তু এদিকে যে মান্নান পুত্র রাজীব হোসেন বাবার দেখানো বাইশ গজের রাজনীতিতে সেই মন মাতানো রাজনৈতিক গুগলি বলে লালবাগ মহকুমার মতো শাসক দলের জন্য আজকের দিনেও অনেকটা এবড়ো-খেবড়ো অনুর্বর জমিন কে উর্বর করতে নেমে পড়েছে আর তাঁর প্রতিদিনের কর্মসূচির কোনো না কোনো সভা থেকে রাজনৈতিক সুকৌশলে না বাহুবলে না অস্ত্রবলে না কোনো অর্থের লোভ দেখিয়ে কেবল মাত্র নৈতিক উপায়ে বিরোধী দলের উইকেট ডাউন করিয়ে করিয়ে নিজের দলকে প্রতিনিয়ত একটু একটু করে শক্তিশালী করে চলেছেন দিদির এই প্রিয় দলীয় সৈনিক। 


আর সেই রাজনৈতিক ধারা কে অব্যাহত রেখেই আজ তার নেতৃত্বে বহরমপুর পশ্চিম ব্লকের শাহজাদাপুর অঞ্চলের এক বর্ধিত সভাতে বহু নেতা-কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে নিয়াল্লিশ পাড়া অঞ্চলের অতি সক্রিয় এক  কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্য  তথা এলাকায় যথেষ্ট লড়াকু নেতা হিসাবে পরিচিত বিজয় দুলুই ও তার একান্ত অনুগামীদেরকে সুকৌশলে নিজের দলের ছত্রছায়ায় এনে লালবাগ মহকুমার  বহরমপুরের মতো এবড়ো-খেবড়ো রাজনৈতিক জামিনকে মসৃন করার এক অদম্য প্রয়াসে ব্যস্ত এই তুর্কী নেতা রাজীব হোসেন l


তাই জেলা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজ্য স্তরের অনেক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদেরও মতামতে রাজীবের সংযত সাধারণ জীবন-যাপন,সুব্যবহার,আর নীচুতলা থেকে উঁচুতলার সব মানুষজনের সঙ্গে জনসংযোজই তার সাফল্যের মূল-মন্ত্র,তাই বহুপ্রচলিত ও বহু-চর্চিত সেই আদিম ইতিহাসের কথা টি "বাপ কে বেটা অর সিপাহী কে ঘোড়া,কুচ ভি নহি হো তো থোড়া থোড়া" তার জন্য যথাযথ প্রযোজ্য জেলার অনেকের মতে  আর আগামীতে জেলার রাজনীতিতে তিনি যে একজন সক্রিয়ভাবে এক বৃহত্তর জায়গায় আসতে চলেছেন তা বলাইবাহুল্য বলে মনে করছেন রাজ্য রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল.. 

                
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment