পথ নিরাপত্তা সচেতনতায় খুদে পড়ুয়ারা !!!


স্নেহাশিষ মুখার্জি :
পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্ৰাথমিক শিক্ষক সমিতি শান্তিপুর চক্রের উদ্যোগে ও শান্তিপুর পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আন্তৰ্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে আজ মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প সেফ ড্রাইভ সেফ লাইফকে আরও কার্যকরী ও সাধারণ মানুষের কাছে আরও ভালোভাবে পথ নিরাপত্তা সচেতনতাকে তুলে ধরতে নদিয়ার শান্তিপুর ডাকঘর মোড়ে ডাকঘর সংলগ্ন রাজ্য সরকার স্বীকৃত কিছু স্কুলের খুদে পড়ুয়াদের নিয়ে এক পথ নিরাপত্তা শিবিরের আয়োজন করা হয় |
যেখানে হেলমেটবিহীন আরোহীদের রাস্তায় দাঁড় করিয়ে মাথায় হেলমেট পরিয়ে হাতে গোলাপ তুলে দেয় স্কুলের ক্ষুদে পড়ুয়ারা | উক্ত সভায় মঞ্চ থেকে শান্তিপুরের পৌরপিতা  অজয় দে বলেন ' রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আমরা এই প্রকল্পের প্রচারে  মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতিনিয়ত করে চলেছি যাতে করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা ফেরে , এবং মৃত্যুর হার কমে |
আমরা আপাত দৃষ্টিতে দেখতে পাচ্ছি যে সব এক্সিডেন্ট ঘটছে তাঁর বেশিরভাগ কানে ফোন নিয়ে বা হেলমেটবিহীন আরোহী | তাই প্রচারের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য | শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাজা সরকার আমাদের মাধ্যমকে জানান - সেভ ড্রাইভ সেফ লাইফ প্রকল্পটি গত দেড় বছর ধরে চলছে | গতবছর এই প্রকল্পের ফলে ২৮% একসিডেন্ট কমেছে | কিন্তু এবছর শুরুর দিকে বেশ কিছু ঘটনা ঘটে যাবার পর মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা সর্বপরি পুলিশ প্রশাসনের পদক্ষেপটা যঠেষ্ট হচ্ছে না | 
তাই এই প্রকল্পটি প্রচারের জন্য আমরা বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেছিলাম | তবে এতদিন যেটা পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে আবদ্ধ ছিল , তা ব্যাপ্তি লাভ করে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক ও বাচ্চাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে  | কালকে হয়ত অন্য কোন সংগঠন এগিয়ে আসবে | একটা দিন আসবে যখন সবাই হেলমেট পরবে আমার বিশ্বাস |


 আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য  সবাই যাতে হেলমেট পরে , মাদকাসক্ত না হোয়ে , কানে মোবাইল ফোন না নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় মোটর সাইকেল চালায় | তবে আমাদের মাধ্যম থেকে তাঁকে শান্তিপুর থানা এলাকার ৮০% মেয়েদের হেলমেট না পড়ার কারণ জানতে চাইলে তিঁনি স্পষ্টতঃ আমাদের মাধ্যমকে জানান ' থানাতে যথেষ্ট  পরিমানে মহিলা পুলিশ থাকে না বলে মেয়েদের বিরুদ্ধে সেরকম কোন আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া যায় না , আর যেসব সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দিয়ে এই গাড়ী গুলো ধরা হয় সেখানে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ক্ষেত্রে মেয়েদের নিয়োগ খুবই কম , শান্তিপুর থানাতে যেমন একজনও নেই |

 সেজন্য মেয়েদেরকে সেরকম ভাবে আইনি ব্যাবস্থা নেওয়া যায় না | আর মেযেদেরকে পুরুষদের দিয়ে আটকানোর ক্ষেত্রে আইনত একটু অসুবিধা আছে বলেই মেয়েরা সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাচ্ছে | এই ব্যাপারে আমরা জেলাতেও কথা বলেছি তবে আশা করি আগামী দিনে আমরা মহিলাদেরও সচেতন করতে পারবো |
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment