গোখাল্যান্ড আন্দোলনের পেছনে চীন,নেপালের মদত

মৃত্যুঞ্জয় সরদার :পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পৃথক গোর্খাল্যাণ্ড রাজ্যের দাবীতে পেছনে আন্তর্জাতিক উস্কানি কাজ করছে বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। উত্তরবঙ্গের স্পর্শকাতর র্দাজিলিং পার্বত্য এলাকা, তরাই ডুয়াস কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, অসম, ভুটান সীমান্তে আন্তর্জাতিক মদতেই বিচ্ছিন্নতাবাদের রমরমা হতে চলেছে। পৃথক কামতা পুরের দাবিদার সশস্ত্র কে এল ও  গোষ্ঠীকে মদত দিয়ে আসছে উলফা। 
এর পিছনে রয়েছে পাক গুপ্তচর চক্র আই এস আই। অসীমের বড়োল্যান্ডে জাতি হিংসাার পেছনেও ছিল আই এস আই সহ নানা বিদেশী শক্তির মদত। এবার উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতল বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির পেছনে উস্কানি দেওয়া চলছে। পৃথক গোর্খাল্যাণ্ডের পেছনে যেমন রয়েছে চীনের পরোক্ষ মদত তেমনি প্রতক্ষ মদত নেপালি মাওবাদীদের। 
এরাই গোর্খা্জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং গোষ্ঠী সহ পাহাড়ের গোর্খা লীগ সিপিআরএম প্রভৃতি দলগুলিকে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ মদত জোগাচ্ছে। কাজেই মমতা বন্দোপাধ্যায় জিটিএর মত সেমি এষ্টেট দিয়ে পাহাড়ে যতই শান্তির স্বপ্ন বিভোর হোন না কেন পরিস্থিতি সত্যিই উদ্বেগজনক। ঝুলি থেকে বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে
।আত্মগোপনে থেকেও বিমল  গুরুং,রোশনাই গিরিরাজ নতুন করেই পৃথক রাজ্যের দাবিতে মুখর হয়েছেন। পুর্ব নিধারিত ঘোষিত কর্মসূচী মতই বিমল গুরুং রোশনাই গিরিরা গোর্খাল্যাণ্ডের দাবিতে সবর।
 পেছন থেকে তাঁদের মদত জোগাচ্ছেন বিজেপির রাজ্য নেতারা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতৃত্ব এতদিন জিটিএর মধ্যে থেকেই পৃথক রাজ্য গোর্খাল্যাণ্ডের দাবী তুলে ধরা হয়েছে।পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্যের বাস্তবারন হওয়ায় গোর্খা জন মুক্তি মোর্চার কট্ররপন্থিরা এখন সরাসরি কেন্দ্রের কাছে গোর্খাল্যাণ্ড রাজ্যের দাবী তুলে উত্তরবঙ্গে নতুন করে সামাজিক রাজনৈতিক সংঘাত তৈরী হয়ে চলেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন।
মোর্চা নেতৃত্বে নরম গরম সুরে পৃথক রাজ্যের দাবী তুলে নতুন করে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতে হিংসার বাতাবরন তৈরী করছে  বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment