ভাঙ্গড়ের অশান্তিতে আরোও একবার উঠে এলো সিপিএম আশ্রিত হার্মাদ বাহিনীর হাত,তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত?

স্নেহাশিষ মুখার্জি :দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙ্গর যা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্ৰেসের শক্ত ঘাঁটি বলে বিবেচিত রাজ্য রাজনীতিতে কিন্তু বর্তমানে বারংবার গোষ্ঠীদ্বন্ধের ফলেই দিনে দিনে ভাঙ্গরের মাটিতে তৃনমূলের অবস্থা ক্রমশই খারাপ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল | প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে ভাঙ্গরে যেখানে একসময় আরাবুলের মত দুর্দণ্ডপ্রতাপ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের আধিপত্য ছিল,কিন্তু তার জনপ্রিয়তা কমার সঙ্গে সঙ্গে এক সময়ের যুব নেতা কাইজার ও আরাবুল মিলিত ভাবে আবার মমতার আদর্শে শান্তিপূর্ণ ভাবে এক ভাঙ্গর চালাচ্ছিল দাবি ভাঙ্গড় বাসীর |  

কিন্তু ২০১৬ এর বিধানসভার ভোটের পর পর থেকেই রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে কোথায় যেন একটা নিশ্চিত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আঁচ করছিলেন রাজনৈতিক সচেতন মহলের একাংশ | আর বিধানসভার পরপর ভাঙ্গর সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রিড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেখানেও বাইরে থেকে আশ্রিত  গুন্ডারাই দৈনিক বিভিন্ন ঘটনা ঘটাচ্ছে আর সন্ত্রাসের আবহাওয়া তৈরি করছে বলে অভিযোগ সাধারন মানুষের | ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, যে সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা ওখানে আশ্রয় পাচ্ছে কিভাবে ? তাহলে কি তৃনমূল পার্টির মধ্যে তৃনমূলের নিচু তলার একাংশ নাকি  তৃনমূলের উপরতলার একাংশ সিপিএম এর হয়েই ভিতরে ভিতরে কাজ করছে? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে রাজ্যবাসীর কাছে  | 


পাশাপাশি আরো এক ছোট্ট ঘটনা চোখে আঙ্গুল দিয়ে আরো একবার দেখেয়ে  দিলো রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণের যথার্থতা এদিন ঘটনার সূত্রপাত সরস্বতী পূজোকে কেন্দ্র করে, অভিযোগ সরস্বতী পূজোর দিন ভাঙ্গর থানার অন্তৰ্গত ঘুনিমেঘি  গ্রামের বাসিন্দা সোমা নস্কর নাকি সরস্বতী পূজোর দিনে সকালে মদ খাওয়ার অভিযোগ করে মিথ্যে ভাবে সাজিয়ে পাশ্ববর্তী সিপিএমএর আশ্রিত গুন্ডাদের নিয়ে ঘুনিমেঘি গ্রামের কিছু দোকান-পাট লুঠপাঠ ও ভাংচুর চালায় | গ্রামবাসীরা বাঁধা দিতে গেলে  সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা গ্রামের কয়েকজনকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় তাতে আক্রান্ত হন প্রদীপ মন্ডল,মিন্টু নস্কর,সুমন মন্ডল,অরবিন্দ নস্কর,অষ্টমী মন্ডল নামের এক মহিলাও, মেয়ে বৌদের শ্লীলতাহানীও করা হয় বলে অভিযোগ  এবং পাশাপাশি রোজ রাতে বোমবাজি করে চলেছে বলে তাদের  দাবি|  
তাই ভীত-সন্তস্ত্র হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নজরে ঘটনাটি আনার জন্য আজ সকালে দিদির কালীঘাটে এই মর্মে একটি অভিযোগ জমা পড়ে বলে জানা যায় বিশেষ নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী | ফলে আবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করলো সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা আরাবুল-কাইজারের ভাঙ্গরে আশ্রয় পাচ্ছে কিভাবে? তাহলে কি তৃনমূলের মধ্যে থেকেই কেউ সিপিএমকে মদত দিচ্ছে ? তবে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত? 

যদিও দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী  এই ব্যাপারটাকে বিশেষ ভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কালীঘাটের তরফ থেকে পাশাপাশি  ভাঙ্গরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী রাজ্জাক মোল্লা কে এব্যপারে তলব করা হবে ও প্রশাসনকে অবিলম্বে ভাঙ্গরের ওই ঘুনুমেঘি গ্রামের শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হবে বলে জানা যায়!
Share on Google Plus Share on Whatsapp



0 comments:

Post a comment